এক.
জীবনের সব চাওয়া-পাওয়া কে বিসর্জন দিয়ে একাকীত্বকে হাসি মুখে বরণ করে নিয়েছে একমাত্র মেয়ের জন্য। দেখতে দেখতে কখন যে পঞ্চাশটি বছর জীবন থেকে চলে গেল মেয়েকে সম্বল করে বুঝতেই পারলেন না। ছোট পুচকিঁ মিষ্টি মেয়েটি এখন বড় হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্্রী নিয়েছে। ভালো করর্পোরেট চাকরি ও পেয়েছে। এখন মেয়েকে সুখি দেখলে শবনম নিজেকে সুখি মনে করে। তার সকল স্বপ্ন-সাধনা একমাত্র মেয়েকে ঘিরে। মেয়ের মুখে ‘মা’ ডাক যখন শুনতে পায় জমে থাকা সব কষ্টগুলো মেঘের ভেলায় করে অনেক দূরে হারিয়ে যায়। শবনমের মতো পৃথিবীর সব মা এমনি হয়। সন্তানের সুখের জন্য সবকিছু ত্যাগ করার মাঝে অসীম আনন্দ খোঁজে পায়।
জীবনের সব চাওয়া-পাওয়া কে বিসর্জন দিয়ে একাকীত্বকে হাসি মুখে বরণ করে নিয়েছে একমাত্র মেয়ের জন্য। দেখতে দেখতে কখন যে পঞ্চাশটি বছর জীবন থেকে চলে গেল মেয়েকে সম্বল করে বুঝতেই পারলেন না। ছোট পুচকিঁ মিষ্টি মেয়েটি এখন বড় হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্্রী নিয়েছে। ভালো করর্পোরেট চাকরি ও পেয়েছে। এখন মেয়েকে সুখি দেখলে শবনম নিজেকে সুখি মনে করে। তার সকল স্বপ্ন-সাধনা একমাত্র মেয়েকে ঘিরে। মেয়ের মুখে ‘মা’ ডাক যখন শুনতে পায় জমে থাকা সব কষ্টগুলো মেঘের ভেলায় করে অনেক দূরে হারিয়ে যায়। শবনমের মতো পৃথিবীর সব মা এমনি হয়। সন্তানের সুখের জন্য সবকিছু ত্যাগ করার মাঝে অসীম আনন্দ খোঁজে পায়।
দুই.
কিছু ঘটনা সাজানো জীবনকে উলট- পালট করে দেয় মুর্হুতে, যার উপর নিজের কোন নিয়ন্ত্রন থাকে না। একমাত্র মহান সৃষ্টিকর্তা ভাল বলতে পারবেন; কেন এমন হয় মানব জীবনে? একমাত্র মেয়ে বলে মহা ধুমধামের সাথে দেখেশুনে সম্ভ্রান্ত বড় পরিবারে বিয়ে দিয়েছিল মেয়েকে। ভালভাবেই যাচ্ছিল সবকিছু । দু’বছর যেতে না যেতেই চলার পথে হঠাৎ ছন্দপতন। সন্তানের জন্য শশুর-শাশুড়ির বাহারি রকমের কথা আর জামাইয়ের সাথে মনোমালিন্য হওয়ার কারনে সংসারটি স্থায়ী হল না।
কিছু ঘটনা সাজানো জীবনকে উলট- পালট করে দেয় মুর্হুতে, যার উপর নিজের কোন নিয়ন্ত্রন থাকে না। একমাত্র মহান সৃষ্টিকর্তা ভাল বলতে পারবেন; কেন এমন হয় মানব জীবনে? একমাত্র মেয়ে বলে মহা ধুমধামের সাথে দেখেশুনে সম্ভ্রান্ত বড় পরিবারে বিয়ে দিয়েছিল মেয়েকে। ভালভাবেই যাচ্ছিল সবকিছু । দু’বছর যেতে না যেতেই চলার পথে হঠাৎ ছন্দপতন। সন্তানের জন্য শশুর-শাশুড়ির বাহারি রকমের কথা আর জামাইয়ের সাথে মনোমালিন্য হওয়ার কারনে সংসারটি স্থায়ী হল না।
তিন.
তাড়াহুড়া করে এত অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়া ঠিক হয়নি আমিন সাহেবের। আরো সময় নেওয়া উচিত ছিল। তাহলে এত বড় ভুল হত না। শবনমের বয়স সবে মাত্র ১৭ বছর চলে। অল্প বয়সে অপ্রত্যাশিত ঘটনায় হাস্যোজ্জ্বল চঞ্চল মেয়েটিকে এমন নিস্তব্ধ নীরব থাকতে হতো না। জীবনের অনেক পথ যে তার এখনো বাকি। খুব অস্তিরতায় সময় যাচ্ছে আদরের মেয়ে কে নিয়ে আমিন সাহেবের। থমথমে মেঘলা পরিবেশের মাঝে পাশের বাড়ির ছলিমের মা শবনমের জন্য একটা সম্বন্ধ নিয়ে আসলো। ছেলেপক্ষ সব জেনে শুনে আমিন সাহেবের মেয়েকে ছেলের বউ করতে রাজি। সুখের জন্য আবার ও কলিজার টুকরা শবনম কে আজাদ সাহেবের ছেলের হাতে পরম বিশ্বাসে তুলে দিলেন দ্বিতীয় বার। সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে বছর পার হতেই ঘর আলো করে আসলো ফুটফুটে এক নাতনী। এই যেন এক পরম সুখের প্রাপ্তি।
তাড়াহুড়া করে এত অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়া ঠিক হয়নি আমিন সাহেবের। আরো সময় নেওয়া উচিত ছিল। তাহলে এত বড় ভুল হত না। শবনমের বয়স সবে মাত্র ১৭ বছর চলে। অল্প বয়সে অপ্রত্যাশিত ঘটনায় হাস্যোজ্জ্বল চঞ্চল মেয়েটিকে এমন নিস্তব্ধ নীরব থাকতে হতো না। জীবনের অনেক পথ যে তার এখনো বাকি। খুব অস্তিরতায় সময় যাচ্ছে আদরের মেয়ে কে নিয়ে আমিন সাহেবের। থমথমে মেঘলা পরিবেশের মাঝে পাশের বাড়ির ছলিমের মা শবনমের জন্য একটা সম্বন্ধ নিয়ে আসলো। ছেলেপক্ষ সব জেনে শুনে আমিন সাহেবের মেয়েকে ছেলের বউ করতে রাজি। সুখের জন্য আবার ও কলিজার টুকরা শবনম কে আজাদ সাহেবের ছেলের হাতে পরম বিশ্বাসে তুলে দিলেন দ্বিতীয় বার। সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে বছর পার হতেই ঘর আলো করে আসলো ফুটফুটে এক নাতনী। এই যেন এক পরম সুখের প্রাপ্তি।
চার.
মুখে মুখে একটা কথা প্রচলন আছে এমন- ‘সুখ যদি না থাকে নসিবে কপালে কি করে তা আসিবে’। একটু সুখ আর শান্তির প্রত্যাশায় পৃথিবীতে কত রকম আয়োজন । সুখের নাগাল পাওয়ার জন্য কতরকম প্রচেষ্টা, কত ভাবেই না পরিশ্রম করে মানুষ। কেউ অধরা এই সুখ পাখির ছোঁয়া পায় আর কেউ পায় না হাজার চেষ্টা করেও। হয়তো তাই, সুখ পাখি বার বার অধরা থেকে গেল শবনমের জীবনে। সন্তান হওয়ার এক বছরের মাথায় অশান্তি শুরু হল। দু’পরিবারের ভুলবুঝাবুঝি আর আত্মসম্মানবোধ রক্ষা করতে গিয়ে আবারও রঙিন স্বপ্নখানি বিবর্ণ হল শবনমের স্বপ্নীল জীবনে।
মুখে মুখে একটা কথা প্রচলন আছে এমন- ‘সুখ যদি না থাকে নসিবে কপালে কি করে তা আসিবে’। একটু সুখ আর শান্তির প্রত্যাশায় পৃথিবীতে কত রকম আয়োজন । সুখের নাগাল পাওয়ার জন্য কতরকম প্রচেষ্টা, কত ভাবেই না পরিশ্রম করে মানুষ। কেউ অধরা এই সুখ পাখির ছোঁয়া পায় আর কেউ পায় না হাজার চেষ্টা করেও। হয়তো তাই, সুখ পাখি বার বার অধরা থেকে গেল শবনমের জীবনে। সন্তান হওয়ার এক বছরের মাথায় অশান্তি শুরু হল। দু’পরিবারের ভুলবুঝাবুঝি আর আত্মসম্মানবোধ রক্ষা করতে গিয়ে আবারও রঙিন স্বপ্নখানি বিবর্ণ হল শবনমের স্বপ্নীল জীবনে।
প্রকাশিত: 16 মে , 2017

No comments:
Post a Comment